Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!
Blog
-

চন্দনাইশ পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় আবু হাসনাত সাজিদ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চন্দনাইশ পৌরসভা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিকে ঘিরে সভাপতি প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন আবু হাসনাত সাজিদ। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংগঠনের কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ, কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সভাপতি প্রত্যাশী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে। এছাড়া, বিভিন্ন সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের গণআন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের আলোচনায় কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর সঙ্গে আবু হাসনাত সাজিদের নামও গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
এ বিষয়ে আবু হাসনাত সাজিদ বলেন, “দল যদি আমার ওপর আস্থা রাখে, তাহলে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। আমার লক্ষ্য সব সময় দলের আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া।” -

দোহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় মোঃ হিরু ইসলাম আজাদ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন মোঃ হিরু ইসলাম আজাদ। দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশের মতে, আসন্ন দোহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে।
সাংগঠনিক সূত্রে জানা যায়, তিনি বর্তমানে জিয়া সাইবার ফোর্স (ZCF) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ দোহাজারী পৌরসভা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ দোহাজারী পৌরসভার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ, কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
তবে দোহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে দলীয় ফোরাম থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সাধারণ সম্পাদক পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় নীতিনির্ধারণী মহলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। -

চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের এক উদীয়মান মুখ— মোঃ ইরফান হোসেন (সাদ্দাম)
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোঃ ইরফান হোসেন (সাদ্দাম)। বর্তমানে তিনি বরমা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শ্রম, মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মতৎপরতার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে একজন দায়িত্বশীল ও কর্মঠ ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। মিছিল, মিটিং, বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সংগঠনের অন্যান্য কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিয়মিত লক্ষ্য করা যায়।
দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা, দায়িত্বশীলতা এবং নেতৃত্বের সক্ষমতার বিবেচনায় আসন্ন চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের কমিটিতে মোঃ ইরফান হোসেন (সাদ্দাম)-কে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক। তাঁদের প্রত্যাশা, তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্বের সমন্বয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। -

তৃণমূলের প্রত্যাশা: চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে ফয়সাল সিকদার সোহানকে দেখতে চান একাংশের নেতাকর্মী
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে ঘিরে তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা ফয়সাল সিকদার সোহানকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠন আরও গতিশীল হবে।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, রাজনীতিতে পদ-পদবির চেয়ে সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, ফয়সাল সিকদার সোহান দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীরা জানান, সাধারণ কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।
এদিকে, উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা। তাদের আশা, তৃণমূলের মতামত ও সাংগঠনিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
উল্লেখ্য, ফয়সাল সিকদার সোহানকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার বিষয়টি তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীদের মতামত ও প্রত্যাশার ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। -

চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আয়াত হেলাল উদ্দীন তানভীরকে চান তৃণমূলের একাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-প্রত্যাশা বাড়ছে। বিভিন্ন দলীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আয়াত মো. হেলাল উদ্দীন তানভীরকে দেখতে চান তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মী।
সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তানভীর নেতাকর্মীদের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন। তাদের দাবি, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন হলে তিনি সভাপতি পদের একজন শক্তিশালী দাবিদার হতে পারেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী বলেন, দলের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে তানভীর মাঠপর্যায়ে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদল আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে আয়াত মো. হেলাল উদ্দীন তানভীর বলেন, “আমি সবসময় দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। দল যেকোনো দায়িত্ব দিলে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। সংগঠনের স্বার্থই আমার কাছে সর্বাগ্রে।”
তবে উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে এখনো কেন্দ্রীয় বা জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। -

চুরি-ছিনতাইকৃত মোবাইলের আইএমইআই পরিবর্তন করে বিক্রি, সিএমপির অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার
কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া মোবাইল ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর পরিবর্তন করে বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫৭টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি ল্যাপটপ, নগদ অর্থ, আইএমইআই পরিবর্তনের যন্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর নেতৃত্বে গত ২৪ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার নন্দনকানন আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির মূলহোতা বলে অভিযুক্ত মুহাম্মদ সোহেল উদ্দিন ওরফে ‘পার্টি সোহেল’-সহ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে উদ্ধার করা হয় ২৪টি আইফোন, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আরও ১৩৩টি মোবাইল ফোন, পাঁচটি ল্যাপটপ, ২০১টি বিভিন্ন কোম্পানির সিম কার্ড, একটি মাইক্রোস্কোপ, মোবাইল ফোনের আইএমইআই পরিবর্তনের মেশিন, ৪৪৫টি মোবাইল ফোনের কেসিং, বিভিন্ন চার্জার, মাল্টিপ্লাগ এবং নগদ ১ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে কম দামে মোবাইল ফোন সংগ্রহ করতেন। পরে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর ও কেসিং পরিবর্তন করে চট্টগ্রাম মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৩/৩৪ ধারাসহ সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২২(২) ও ২৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন থানায় আটটি মামলা রয়েছে। জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে রয়েছে চারটি মামলা এবং আবু সাঈদের বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। -

সদরঘাট থানার অভিযানে নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সদরঘাট থানার পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন শোষণ, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সদরঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শরীফের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) নুর উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে সদরঘাট থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের একপর্যায়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তৌসিফ আহমেদ (২২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তৌসিফ আহমেদ চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ী টং ফকির মাজার লেইন এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুল হাইয়ের পুত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদরঘাট থানার এফআইআর নং-৩, তারিখ ২৪ জুন ২০২৬-এর মামলায় তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(খ) ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন, পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি এবং মানসিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
সদরঘাট থানা পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। -
চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় আব্দুল মন্নান (হৃদয়)
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ এবং দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল মন্নান (হৃদয়) চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, তার নেতৃত্বে সংগঠন আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের দুঃসময়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন আব্দুল মন্নান (হৃদয়)। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন। এছাড়া জুলাই-আগস্টের আন্দোলনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামনের সারিতে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করেছেন তার সহকর্মীরা।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে সংগঠনের কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, শিক্ষিত, ত্যাগী, পরিশ্রমী ও সাংগঠনিক দক্ষতাসম্পন্ন নেতা হিসেবে আব্দুল মন্নানের দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক অবদান মূল্যায়ন করে তাকে চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে আব্দুল মন্নান (হৃদয়) বলেন, “আমার রাজনৈতিক অভিভাবক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আনোয়ার চৌধুরী ভাইয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে—আমি আব্দুল মন্নান হৃদয়কে নয়, ছাত্রদলের জন্য দেওয়া আমার দীর্ঘ ১৬ বছরের ত্যাগ, পরিশ্রম ও সোনালি সময়কে মূল্যায়ন করবেন। যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে দোহাজারী পৌরসভা, চন্দনাইশ পৌরসভা, নয়টি ইউনিয়নসহ স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ে ত্যাগী, শিক্ষিত ও মার্জিত ছাত্রদের নিয়ে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হবে। ঐক্যবদ্ধ ছাত্রদলই হবে আগামীর শক্তি।” -

মোহছেনা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনর্মিলনী-২০২৬ উপলক্ষে প্রতিনিধি পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
ইমরান হোসেন মুন্না প্রতিনিধি পটিয়া চট্টগ্রাম||
মোহছেনা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের বহুল প্রতীক্ষিত পুনর্মিলনী-২০২৬ আয়োজনকে সামনে রেখে প্রতিনিধি পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২১ জুন (শনিবার) বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পুনর্মিলনী আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কাঠামো, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহছেনা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পুনর্মিলনী-২০২৬ এর আহ্বায়ক মাহমুদুল হক।
সর্বসম্মতিক্রমে সাকিব-ই-মাহমুদকে পুনর্মিলনী-২০২৬ এর প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে মনোনীত করা হয়। তাকে সকল ব্যাচের সঙ্গে সমন্বয়, প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের সার্বিক দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া পুনর্মিলনী উপলক্ষে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এর সদস্য নির্বাচন ও কার্যপরিধি পরবর্তীতে চূড়ান্ত করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সভায় আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার) পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে সর্বশেষ ব্যাচ পর্যন্ত সকল সাবেক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ উন্মুক্ত থাকবে।
এডমিনদের জন্য বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদানের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
পুনর্মিলনীকে আরও আকর্ষণীয় ও সফল করতে রেজিস্ট্রেশন ফরমে ছবি সংযুক্তকরণ, ডিজিটাল ফেস্টুন প্রকাশ এবং ব্যাপক প্রচারণার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সভা শেষে উপস্থিত সদস্যরা সম্মিলিতভাবে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুনর্মিলনী-২০২৬ কে একটি সফল, স্মরণীয় ও বর্ণাঢ্য আয়োজন হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে।